কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের গার্ড শাহীনের অনৈতিক আচরনে প্রবাসীরা ক্ষুব্দ

কুয়েত প্রতিনিধি::

কুয়েত বাংলাদেশ দূতাবাসের শাহীন নামের গার্ডের দুর্নীতি ও অনৈতিক আচরণের একটি ভিডিও ফেইসবুক ভাইরাল হয়ে পড়ে গতকাল থেকে। বর্তমানে কুয়েত প্রবাসীদের মাঝে এটি এখন টক অফ দা টাউনে পরিণত হয়েছে।

প্রশ্ন উঠেছে একজন চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারী হয়ে একজন প্রবাসীর সাথে এই ধরণের অনৈতিক আচরণের সাহস পায় কোথা থেকে! এটা কোনো ভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। এই গার্ড এর সাথে মিলে আরেকজন ক্লিনার জাহিদও ওই সময় প্রবাসীর সাথে খারাপ আচরণ করেন। চড়, থাপ্পর দিয়ে বের করে দেয়া হবে এই শব্দ টি ওই সিকিউরিটি গার্ডের। এই আচরণে প্রবাসীরা শুধু হতবাক হননি রিতিমত বাকরুদ্ধ।

ভিডিওটি দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন::

https://www.facebook.com/190340038246279/posts/441310999815847?sfns=mo

সরকারি বেতন ভুক্ত কর্মচারীরা হলো প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী। এর আগেও খালেদিয়ায় এলাকায় দূতাবাস থাকার সময় এই একই গার্ডের দুর্নীতির আরেকটি ভিডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়েছিল ফেইসবুকে।
কিন্তু দুর্নীতির বিচার না হওয়ার কারণে প্রবাসীর সাথে অসৌজন্যমূলক আচরন করতে গার্ড দিধাবোধ করেন না। এই ধরণের রূঢ় আচরণের কারণে বৈদেশিক মিশণে একজন কর্মচারী কাজ করতে পারেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে প্রবাসী মহলে। নিজের মূল কাজ না করে মাঝে মাঝে এই গার্ড এবং ক্লিনার জাহিদ কে কর্মকর্তাদের আচরণ করতে দেখা যায়। এইভাবে চলতে থাকলে একটি দূতাবাসের সম্মান থাকেনা প্রবাসীদের কাছে এবং অনাকাংখিত ঘটনার জন্ম দিবে এটাই স্বাভাবিক। অনেকেই ফেসবুকে গালাগাল করে এও বলছেন প্রবাসীদের জন্য দূতাবাস কে রাখা হয়েছে, দূতাবাসের জন্য প্রবাসীরা নন।
প্রবাসীরা আশা প্রকাশ করছেন এই দুটি ঘটনাকে গুরুত্ব দিয়ে এর জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। একই সাথে প্রবাসী মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে ও দাবি জানিয়েছেন এর একটা বিহিত করার জন্য এবং দ্রুতগতিতে এই গার্ডকে কুয়েত থেকে প্রত্যাহার করে নিয়ে শাস্তির ব্যবস্থা করার জন্য।

প্রবাসীরা এখন ভয় পাচ্ছে যদি গার্ডের এই অনৈতিক আচরণ এর শিকার অন্যদেরও হতে হবে কি? আমাদের প্রতিনিধি দূতাবাসের প্রথম সচিবের কাছে মোবাইলে কল দিলে তিনি কল রিসিভ করেন নি।

শেয়ার করুন