কুলাউড়ায় পিতার দাবি ‘আমার ছেলে কালোবাজারি‌ নয়, সে নির্দোষ’

  • নিজস্ব প্র‌তি‌বেদক, কুলাউড়া :: সম্প্রতি মৌলভীবাজার কুলাউড়া উপজেলার কাদিপুর ইউনিয়নে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির দশ টাকা কেজি দরে ৯ বস্তা চাল কালো বাজারে বিক্রির অভিযোগ ও‌ঠে। এ ঘটনায় গত ২৮ এপ্রিল কুলাউড়া থানা পুলিশ আব্দুল হাকিম নোবেলসহ ২জনকে গ্রেফতার করে।

    ওই চাল কা‌লোবাজা‌রির ঘটনায় ছে‌লে নোবেল‌কে নি‌র্দোষ দা‌বি ক‌রে পিতা আব্দুল কাইয়ুম মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

    কুলাউড়ার পৌর শহ‌রের এক‌টি বাসায় সংবাদ সম্মেল‌নে সাংবা‌দিক‌দের তিনি জানান, তার ছেলে আব্দুল হাকিম  নোবেলের মানসম্মান নষ্টের উদেশ্যে স্থানীয় একটি দুস্কৃতিকারী চক্র  সম্পূর্ন অন্যায় ভাবে একটি নাটক সাজা‌নো হ‌য়ে‌ছে।

    ঘটনা‌টি‌কে মিথ্যা দা‌বি ক‌রে তি‌নি জানান, প্রশাসন কে ভুল তথ্য দিয়ে তার ছেলেকে এ ঘটনায় ফাসাঁনো হয়েছে। তিনি জানান, তার ছেলে নোবেল দীর্ঘদিন থেকে কাদিপুর পেকুর বাজারে সুনামের সহিত পেট্রলিয়াম ব্যবসার পাশা-পাশি প্রথম শ্রেণির একজন ঠিকাদার হিসেবে বিভিন্ন ব্যবসা বানিজ্য পরিচালনা করায় সর্বমহলে তার সুনাম রয়েছে।

    তিনি জানান, কাদিপুরে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির দশ টাকা কেজি দরে চালের প্রকৃত ডিলার হচ্ছেন আব্দুর রকিব নামে একজন। তিনি তাদের একই গ্রামের ঘনিষ্ঠজন হওয়ায় এবং ওই দিন তিনি গুরুত্বর অসুস্থ্য থাকায় ডিলারের অনু‌রু‌দে নোবেল গুদামে গিয়ে বৈধ দুইজন কার্ড দারীদের মাঝে ২ বস্তা চাল বিতরন করে গুদাম বন্ধ করে আবার চলে আসেন। পরে আমরা শুনতে পারলাম  কার্ডদারী প্রাপ্ত দুইজন লোক তারা সিদ্ব চাল না খাওয়ায় সুহেল মিয়ার কাছে সেই চাল বিক্রি করে দেন। আর সুহেল মিয়া সেই চাল নিয়ে বাড়িতে যাওয়ার পথে আগে থেকেই এ ঘটানাকে ভিন্ন ভাবে নেওয়ার হীন উদ্যেশে একটি দুস্কৃতিকারী গ্রুপ  তাকে আটক করে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে সুহেল কে আটক করে, পরে নোবেল কে ফোন দিলে সে বাজারে ছুটে যায়, যাওয়ার সাথে সাথে পুলিশ তাকে কোনো কিছু বুজার আগেই গ্রেফতার করে ফেলে। এছাড়াও সুহেলকে আটকের সময় ২ বস্তা চাল পেয়েছে সত্য কিন্তু পরে বাকি ৭ বস্তা চাল কোথায় থেকো এলো, এবং একটি বাড়ি থেকে চাল এনে ভ্যান গাড়িতে তুলার সময় কিন্তু কোনো সরকারী বস্তা ছিলো না পরে জানতে পারলাম সেগুলোও নাকি সরকারী চাল ছিলো, যা আমার ছেলে এ বিষয়ে কিছুই জানেনা। আব্দুল কাইয়ুম আরো বলেন, তার ছেলে নোবেল খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি চালের কোনো ডিলারও নন বা কোনো কালোবাজারির সাথে জড়িত নয়।

    তিনি তার ছেলেকে এ মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি এবং এই ঘটনার সঠিক তদন্ত ও প্রকৃত ঘটনার রহস্য উদঘাটনের জন্য প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেন।

শেয়ার করুন