জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকার সহায়তায় মাথা গোঁজার ঠাঁই পাবেন জেলে আব্দুল মালিক

মোঃ কাওছার ইকবাল:
শ্রীমঙ্গল উপজেলার কালাপুর ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের চার সন্তানের জনক অসহায় দারিদ্র জেলে মোঃ আব্দুল মালিক জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকার সহায়তায় মাথা গোঁজার ঠাঁই পেলেন। আজ সকাল ১১ টায় জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা ইনক এর প্রতিনিধি নিউইয়র্ক প্রবাসী শ্রীমঙ্গলের মিজানুর রহমান হাজীপুরের জেলে আব্দুল মালিকের বাড়ীতে গিয়ে জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ কাওছার ইকবাল, ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ ফজর আলী, শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ সায়েদ আহমেদ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এসময় বাড়ীটি চিহ্নিত করার পর দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী দারিদ্র জেলে মোঃ আব্দুল মালিক স্ত্রী আলপনা বেগম ও চারটি শিশু সন্তান নিয়ে অত্যন্ত কষ্টে দিনপাত করছেন। প্রথম সন্তান জীবন হোসেন ৩য় শ্রেণিতে, ২য় সন্তান হালিমা জান্নাত সাথী ২য় শ্রেণিতে, ৩য় সন্তান ওয়াহিদ হোসেন ১ম শ্রেণিতে অধ্যয়ন করছে। ৪র্থ সন্তান রাহাত হোসেন জন্মলগ্ন থেকে অন্ডকোষ রোগে ভূগছে।
চার সন্তান নিয়ে বেঁচে থাকার সংগ্রামে আব্দুল মালিকের একমাত্র অবলম্বন মাছ শিকার। একা সংসার চালাতে গিয়ে বাপ-দাদার রেখে যাওয়া ভিটেতে এলাকাবাসীর সহায়তায় পুরাতন টিন-বাঁশের তৈরী ঘরে কোনক্রমে দিনপাত করছেন। বসবাসের অনুপযোগী এর ঘরটি এবার ছোট্ট একটি দালানকোঠায় পরিনত হবে।
এবার এই ব্যবস্থাটাই করে দিচ্ছেন সিলেট প্রবাসীদের প্রাণের সংগঠন ‘জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা ইনক’।
উল্লেখ্য, জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা ইনক ইতোমধ্যে সিলেট বিভাগের বন্যা উপদ্রুত এলাকায় অসহায় দারিদ্র কিছু পরিবারকে গৃহনির্মাণের কাজ শুরু করেছেন। বন্যা উপদ্রুত এলাকা ছাড়াও সিলেট বিভাগের অন্যান্য উপজেলায় কমপক্ষে একটি করে ঘর নির্মাণ করে দিবেন। এরই অংশ হিসেবে আজ শ্রীমঙ্গল উপজেলার কালাপুর ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামে একটি এবং সদর উপজেলার একাটুনা ইউনিয়নের রায়শ্রী গ্রামে একটি পরিবারকে গৃহ নির্মাণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

শেয়ার করুন